Stories
প্রাচীর ঘেরা পরিবেশে ভালবাসা !
আধুনীকায়নের প্রভাবে এখন সব কিছুই দ্রুত ঘটছে। যার দরুন ভালবাসা-বাসী মানুষদের সংখ্য লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। মানুষের মৌলিক চাহিদায় অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান এর পাশাপাশি এখন ভালবাসার অবস্থান। আর তাই যুগলদের এই ভালবাসাকে পুঁজি করে রাজধানী ঢাকা শহরে গড়ে উঠেছে অসংখ্যা ফাষ্টফুড, রেষ্টুরেন্ট আর ছোট বড় বিনোদন পার্ক। কিন্তু প্রতিদিন অস্বাভাবিক হারে যুগলদের সংখ্যা যেভাবে বেড়ে চলেছে সেই তুলনায় এই সব ভোজনশালা এবং বিনোদন পার্ক অপ্রতুল। আর তাই বহু যুগলদের রাস্তার দুপাশের ফুটপাত থেকে শুরু করে বিভিন্ন উম্মুক্ত স্থানে বসে প্রেমালাপ করতে দেখা যায়। আর এই সব জায়গায় ভিক্ষুখ এবং হকারদের উৎপাত চরম পর্যায়ে পৌছায়। যা সত্যিই বিড়ম্বনার। এমনকি রাস্তার মাঝখানের প্রশস্ত ডি-ভাইডারেও যুগলদের বসে থাকতে দেখা যায়। যা খুবই বিপদজনক।
তবে এসব উম্মুক্ত স্থানে ভিক্ষুখ কিংবা হকারদের দোষ দেয়া বাধ্যতামূলক নয়। কারণ অসহায় এই মানুষগুলোও যুগলদের ভালবাসাকে পুঁজি করে বেঁচে থাকার চেষ্টা করছে মাত্র। আর যেই সব যুগলেরা প্রেমালাপের জন্য রেষ্টুরেষ্টগুলোকে আদর্শ স্থান হিসেবে বেছে নেয় তাদের দৃষ্টি আকর্ষন করে বলতে চাই, ভূড়ি ভোজের জন্য উপযুক্ত স্থান রেষ্টুরেন্ট। কিন্তু ভালবাসার জন্য নয়। কারণ এইসব ভোজনশালাগুলোতে একজন প্রেমিকার হাত ধরে হাটতে যাওয়া অসম্ভব। কিংবা মৃদু বাতাসে প্রেমিকার দোল খাওয়া চুলের দৃশ্য উপভোগ করা থেকে একজন প্রেমিক হন বঞ্চিত। আর তাই যুগলদের দেখা যায় সুপের বাটির দিকে অলস দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকতে। কিংবা কাটাচামুচ দিয়ে মনোযোগ সহকারে কাটাকাটি করতে।
তাই ঢাকায় অবস্থানকারী সব ভালবাসা-বাসীদের উদ্দেশ্যে ঢাকার বুকে অবস্থিত বহুপুরাতন এবং সবার পরিচিত একটি স্থানকে তুলে ধরার ক্ষুদ্র প্রয়াস করছি মাত্র। আশা করি রুচিশীল যুগলদের ভাল লাগবে। আর সেই স্থানটি হচ্ছে পুরাতন ঢাকার লালবাগ কেল্লা, বুয়েট পলাশীর মোড় থেকে পায়ে হাঁটার দূরত্বে অবস্থিত।
লালবাগ কেল্লা সুউচ্চ প্রাচীর দ্বারা পরিবেষ্টিত এবং এর পরিবেশ সুসজ্জিত। লালবাগ কেল্লার ভেতরে বিচরণক্ষম সুবিশাল জায়গা রয়েছে। এই সুবিশাল জায়গা বিভিন্ন ধরণের মনমুগ্ধকর ফুলের বাগান দ্বারা সজ্জিত। প্রায় প্রতিটি বাগানের দু’পাশেই রয়েছে প্রশস্থ রাস্তা। পরিবেশ সর্বসময় থাকে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন। আর নিরাপত্তার দিক থেকেও সুরক্ষিত। এখানে নেই কোন ভিক্ষুখ কিংবা হকারের উৎপাত।
লালবাগ কেল্লার কর্মকান্ডা পরিচালিত হয় সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় থেকে। প্রতি রোববার পূর্ন দিবস এবং সোমবার অর্ধদিবস ছাড়া আর সব দিন দর্শনার্থীদের জন্য খোলা থাকে। এর প্রবেশ মূল্য মাত্র ১০ টাকা।
লালবাগ কেল্লার কিছু মনরম দৃশ্য যুগলদের জন্য তুলে ধরা হল।
Comments
Posted On
Feb 27, 2010Posted By
Monami HasanPosted On
Feb 27, 2010Posted By
ROMELPosted On
Feb 27, 2010Posted By
NehalPosted On
Feb 27, 2010Posted By
Mashud AhmedPosted On
Feb 26, 2010Posted By
Ashikur RahmanRSS feed for comments to this post.